রাত



তীর্যক,
শিউলির ঘ্রাণ আঁকা
রাত

যতদূর কার্তিক
ততদূর চোখ
ছড়ানো জ্যোছনার মহিলা

...এর আলোক
অনুভব

ভালোউদ্ভাসিত  
চাঁদ:
একজন একচোখ
শিশুতোষ দেবতা

সদিচ্ছার জোড়া তালগাছ;
বালিকার পনিটেল
রহস্যপূর্ণ ভেঁজাআলোয় অত্যল্প দুলছে

সুউচ্চ এমনি চাঁদ
ভালো,
উঁচু উঁচু গাছগাছালিদের
নরম রাত

অনেক নকশাআঁকা
ভালোরহস্যের
ছায়ায়, এখানেই আমাদের
জন্ম হলো

ভালোবাঘ


যে মেয়েটি আত্মহত্যা করল
সে মূলত থামিয়ে দিল বয়স
একটা উজ্জ্বল মুখাবয়ব এই প্রান্তিক দিনে এসে
ভালোসূর্যের তেজে
জ্বলতে লাগল

মনসম্ভব মেয়েটি আত্মহত্যা করছে
সে থামিয়ে দিচ্ছে বয়স
সারাটা দিন সমানে জ্বরে গেছে
ও বাড়িতে তার কন্ঠ ছাপিয়ে কিছুই ঘটছে না
ঘটবার জো নেই

আমার কবিতাযাপন


আমার ওজনে হালকা শরীরের
থেকে ভারী, কবিতা
বয়স ত্রিশের তুলনায় অনেকখানি
নুয়ে গেছি আমি

আমার মুখের দিকে তাকিয়ে
মা আরো বৃদ্ধ হোন
এখানে কিছু চমকায় না
এখানে নেই কোন তরবারি

কিছু না-বুঝার
দিন জাগার ক্লান্তি আর
রাতে একজন আততায়ী
চুষে রক্তজল

সকালের আলোয় আমার মা
কবিতার রুটি পরিবেশন করেন
হৃৎপিন্ডের কষানো মাংস দিয়ে
চোখ বন্ধ করে খাই

হাঁটছি তপ্ত আফ্রিকার বুকে
বন্দুকের চোরাকারবারি র‌্যাঁবোর সঙ্গে
একফাঁকে দেখা হলে
কেউ কারও কুশল জিজ্ঞাসা করছি না

বাড়ি ফেরা

বাড়ি ফেরার মাঝে আছি:
সারাটা ভেজাদিন আমার মনের ভেতর ঝোঁকে আছে:
শব্দ করা শিশুগাছ
অয়োময় কোলাহল
আমার একা মা তীব্র ওইখানে নিম্নস্বর বসে আছে
বোনের চাদরে আমার সমস্ত শরীর ঢাকা

প্রতিবেশে সমানে নিম্নচাপ ঘটছে...