দুপুরগাছে বাহ



দুপুরগাছে বাহ

সোমত্ত দুপুর আকাশে একটা তীক্ষ্ণ ঈগল
ভারী চক্কর দেয়
চিরদিকের সূর্য রান্না করে
তার প্রার্থনাসমূহ

উজ্জ্বল একখিলি মুখ
জলদি জানলায়
ঘাই
মারে


দুপুরগাছে বাহ ২
 
শ্রী পাহাড়
আমি দু’চোখ
হাসতে
বেরিয়েছি...

চিরদিকের সূর্য
রমরমা
আমি ডুব দিই
তোমার স্থানে
নোনা
গভীর
আঁশটে গন্ধভরা

আমার অবিবাহিত
দিনগুলো
সাঁটে এঁটে যায়

জাতিবাঘ
তোমার হালুম
তেড়ে-ফুঁড়ে
আসে
ঐখানে আমূল
দুপুর ঘটছে...


দুপুরগাছে বাহ ৩ 

 
চিরদিকের সূর্যের
নিচে

মেয়ে, তুমি দূরগাছ
দু'পাশে অনাবিল ধানক্ষেত
হৃদয় নিংড়ানো এক দুপুর
হাঁটলেই তোমাদের
অবিমিশ্র
বাড়িটি

অবুঝ ডালপালা
তোমার সবুজ জেল্লা
আছড়ে পড়ছে
একটা অতিকায় দুপুরসুড়ঙ্গে
চোখ অসহায়
করে আছি
তাকিয়ে

তিসিদূরত্ব থেকে আমি

সদিচ্ছার জোড়া
তালগাছ
আহাদের পনিটেল
রহস্যপূর্ণ আলোয়
তি
তি
কাঁপছে

ভালোউদ্ভাসিত সূর্যের
নিচে

বহু নকশাআঁকা
তিনটে-দুটো পাখির সাথে
আমি
উড়ে
উবে যাচ্ছি...


রাত



তীর্যক,
শিউলির ঘ্রাণ আঁকা
রাত

যতদূর কার্তিক
ততদূর চোখ
ছড়ানো জ্যোছনার মহিলা

...এর আলোক
অনুভব

ভালোউদ্ভাসিত  
চাঁদ:
একজন একচোখ
শিশুতোষ দেবতা

সদিচ্ছার জোড়া তালগাছ;
বালিকার পনিটেল
রহস্যপূর্ণ ভেঁজাআলোয় অত্যল্প দুলছে

সুউচ্চ এমনি চাঁদ
ভালো,
উঁচু উঁচু গাছগাছালিদের
নরম রাত

অনেক নকশাআঁকা
ভালোরহস্যের
ছায়ায়, এখানেই আমাদের
জন্ম হলো